টিপস & ট্রিক্স

যেসব অভ্যাসের কারণে ভবিষ্যৎ খারাপ হতে পারে। অভ্যাস গুলি কি কি ?

 

এক দিন গত হয়ে গেল মানে জীবন থেকে একদিন কমে গেল। আমাদের জীবন এর সময়কাল নির্দিষ্ট এর মধ্যে আমাদের জীবন ধীরে ধীরে অতিবাহিত হতে থাকে। জীবনের বেশ কিছু সময় কেটে যায় শৈশব থেকে ক্যারিয়ার গঠন করতে তারপর এসে যায় সাংসারিক দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কখন যেন সময় ফুরিয়ে যায় সংক্ষিপ্ত এই জীবন কালের। এই সংক্ষিপ্ত জীবন কালের প্রতিটি দিন এর প্রতিটি মুহুর্ত মনে করিয়ে দেয় ভবিষ্যৎ এর গুরুত্ব। আমরা মনের অজান্তেই অবচেতন ভাবে ভবিষ্যৎ কে ঠেলে দেই কঠিন অনিশ্চয়তার মুখে। এর জন্য দায়ী আমরা নিজেরাই। এর ফল ও ভোগ করতে হবে আমাদেরকেই তাই জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ নিতে হবে অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে। ভবিষ্যৎ এক দিনে রচনা করা যায় না প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাস গুলোই আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারন করে। সুন্দর একটা ভবিষ্যৎ গঠন করার জন্য আমাদের কে সার্বিক দিক যেমন শারিরিক,মানষিক,আর্থিক ও সামাজিক সব বিষয়েই সমান ভাবে গুরুত্ব দিতে হবে এবং সেই সাথে আমাদের নিত্য দিনের খারাব অভ্যাস গুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পরিহার করতে হবে।

যেসব খারাব অভ্যাস পরিহার করতে হবে তা নিম্নে বর্ননা করা হলঃ

 

  1. যে কোন ধূমপান ও মদ্যপান করা।
  2. সামান্য অসুস্থতায় বেশি করে ওষুধ খাওয়া, মিষ্টি জাতীয় খাবার অতিরিক্ত খাওয়া, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া বিশেষ করে কাচা লবণ খাওয়া, অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া, আরসি, কোকাকোলা বা এই জাতীয় কোমল পানিয় অতিরিক্ত খাওয়া।
  3. পর্নগ্রাফী বা অশ্লীল ভিডিও দেখা। এর কারনে মনের অজান্তেই মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে বিকার গ্রস্থ হতে থাকে যার জন্য পরবর্তিতে বড় ধরনের মানষিক অশান্তি, দুশ্চিন্তা, হতাশা, স্মৃতিহীনতা ও অন্যান্য বড় বড় সমস্যার মোকাবেলা করতে হবে।
  4. হস্তমৈথুন করা ও অশ্লীল আচার ব্যবহার করা।
  5. সর্বদা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো তে অপ্রয়োজনিয় সময় নষ্ট করা ও অবচেতন মনে নিউজ ফীড চেক করা।
  6. অপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনে টাকা নষ্ট করা।
  7. ভবিষ্যৎ এর জন্য সঞ্চয় না করা।
  8. অতিরিক্ত মুখরোচক খাবার যেমন জাঙ্ক ফুড বা ফাস্টফুড গ্রহণ করা ।
  9. নিজের কাজ কে অবহেলা করা, অলসতা করে প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন সম্পন্ন না করে জমা করে রাখা।
  10. অলস সময় কাটানো, অতিরিক্ত গল্পগুজব করা হাসি ঠাট্টা করে সময় অতিবাহিত করা। অবশেষে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ঘুমানো। এক জন সুস্থ মানুষের জন্য ৮ ঘন্টা ঘুম ই যথেষ্ঠ।
  11. নিয়মিত শারিরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম ও মেডিটেশন না করা।
  12. যে কোন বিষয়ের উপর আসক্ত হওয়া যেমন মোবাইল বা কম্পিউটার গেমস অথবা অন্যান্ন কোন খেলাধুলার প্রতি আসক্ত হওয়া।
  13. যেকোন ছোট খাটো বিষয় নিয়েই অতিরিক্ত ভাবনাচিন্তা কিংবা দূশ্চিন্তায় মগ্ন হয়ে থাকা।
  14. জাতী বা ধর্ম ভেদাভেদ করা এবং সবাই কে সমান ভাবে সম্মান না করা।
  15. অনেক/বেশি রাত পর্যন্ত জেগে থাকা।
  16. আপনি যে পেশায় জরিত আছেন বা যে কাজ করেন সেই কাজ কে ভালো না বাসা।
  17. ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য কোন লক্ষ্য স্থির না থাকা।
  18. যারা পরিবারের বড় তাদেরকে অমান্য করা।
  19. নিজের প্রতি বা নিজের কাজের প্রতি আত্মবিশ্বাস না থাকা।
  20. মানুষের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে না পারা।
  21. কোন কিছু মোকাবেলা করা বা নতুনত্বকে মানিয়ে নিতে ভয় পাওয়া।
  22. নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্যের প্রতি ধীরে ধীরে আগ্রহ ও মনোযোগ হারিয়ে ফেলা।
  23. যে কোন কাজ শুরু করার আগেই নেতিবাচক চিন্তা করা।
  24. মিথ্যা বলা ও অহংকার করা।
  25. বর্তমান নিয়ে না ভেবে ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত ভাবনায় ডুবে থাকা।
  26. অল্প চেষ্টা করেই পরাজয় মেনে নেওয়া।
  27. কঠিন কোন পরিস্থিতিতে ধৈর্যধারণ করতে না পারা।
  28. মানুষ চিনতে না পারা।
  29. ধার দেওয়া ও ধার নেওয়া।
  30. বিপরীত লিঙ্গের প্রতি অতিরিক্ত দূর্বল হওয়া।
  31. অকারণেই অন্যের ভুল ত্রুটি নিয়ে সমালোচনা করা।
  32. খারাব বন্ধু বান্ধব দের সাথে মেলামেশা করা।
  33. কারো সাথে প্রতারণা করে বা ঠকিয়ে কোন কিছু আত্মসাধ করার আশা করা।
  34. নিজের মধ্যে অহংকারী ভাব রাখা।
  35. কাজ ফেলে রেখে কল্পনাতে দুবে থাকা।
  36. অতীতে কি করেছি তা নিয়ে অতিরিক্ত দূশ্চিন্তা করা।

 

পরিশ্রম ধন আনে পুন্য আনে সুখ, অলসতা দারিদ্র আনে পাপে আনে দুখ

>>>>>>>>>>ধন্যবাদ<<<<<<<<<<

latenightdream.com

Show More

9 Comments

  1. Playing Sweet Bonanza making deposits for money is a lot of fun, especially because, you don’t have to make big bets. This immediately allows participants to stretch their money and spend it in small portions at different levels. This way you can play as long as you want and not worry about running out of money in your account. Sweet Bonanza https://sweet-bonanza-xmas.com/ is easy to win, which is why this game is loved by millions.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button